বিশেষ ডেক্স রিপোর্ট: ক্ষমতার পালাবদলের পরেও বাংলাদেশ থেকে নজর সরাচ্ছে না চীন। গত মার্চ মাসে বেজিং সফরে গিয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিঙের সঙ্গে বৈঠকে প্রকল্পের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস। এ বার নবনির্বাচিত সরকারের সময়েও ওই প্রকল্প রূপায়ণে সক্রিয় হয়ে উঠেছে চীন।
তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে এ ক্ষেত্রে চীন সঙ্গী করেছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীকে। মঙ্গলবার জামায়াতের আমির তথা জাতীয় সংসদের বিরোধী দলনেতা শফিকুর রহমান তাঁর নির্বাচন কেন্দ্র ঢাকা-১৫-তে চীন রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে একটি কর্মসূচিতে অংশ নেন। সেখানে শফিকুর বলেন, ‘‘আমরা এই প্রকল্পকে শুধু সাপোর্টই (সমর্থন) করব না, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে যদি আমাদের কিছু করার থাকে, সেটাও করব। কারণ আমরা দেশের কল্যাণ চাই, মানুষের কল্যাণ চাই।’’
ওই কর্মসূচিতে তিস্তাকে ‘বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের কান্না’ বলে চিহ্নিত করে করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘‘আমরা এই কান্নার অবসান চাই। কিন্তু অতীতে এটি (তিস্তা প্রকল্প) কেন বাস্তবায়ন হয়নি, তা সবাই বোঝে। শিশুও বোঝে। আমরা ওই লিগ্যাসি (ধারা) আর বহন করতে চাই না।’’ প্রসঙ্গত, গত বছর তিস্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বেইজিঙের কাছে প্রায় ৫৫ কোটি ডলার ঋণ চেয়েছিল ইউনূস সরকার। সে বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিতও মিলেছিল পত্রপাঠ। কিন্তু নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের সময়েও প্রকাশ্যে চীনা সহযোগিতায় তিস্তা প্রকল্প রূপায়ণের কথা ঘোষণা করা হয়নি।


