মোস্তাফিজুর রহমান রুমন, ঢাকা রিপোর্টার: ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে পুনরায় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে এই দিনটিকে ‘ক-শ্রেণি’ ভুক্ত দিবস হিসেবে ঘোষণা করে পুনরায় সরকারি ছুটি পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ তথ্য জানান।
ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৭ নভেম্বরকে আগের মতো ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘বিগত ১৬ বছর এই দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়নি। এখন থেকে এটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে এবং এদিন সরকারি ছুটি থাকবে।’ এপ্রিল মাসের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে সরকারি চাকুরীজীবিদের বাৎসরিক ছুটির তালিকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন দিন যুক্ত হয়েছে।
-
প্রধান পরিবর্তনসমূহ:
- ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর: বর্তমান সরকার ৭ নভেম্বরকে পুনরায় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং দিনটিকে ‘ক-শ্রেণি’ ভুক্ত দিবস হিসেবে ঘোষণা করে সাধারণ ছুটি পুনর্বহাল করেছে।
- সাপ্তাহিক ছুটি বৃদ্ধির চিন্তা: জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার সরকারি চাকুরীজীবিদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানোর (যেমন: শুক্র-শনিবারের সাথে অন্য কোনো দিন যুক্ত করা) বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে।
- টানা ছুটি: ক্যালেন্ডারে নতুন ছুটি যুক্ত হওয়ার ফলে এবং মাঝে অন্য দিন ম্যানেজ করার মাধ্যমে সরকারি চাকুরেরা বড় ধরনের টানা ছুটি বা ‘লং উইকএন্ড’ উপভোগ করার সুযোগ পাচ্ছেন।
- সরকারি ও আধা-সরকারি কর্মচারীদের নির্ধারিত অফিস সময়ে (আগমন ও প্রস্থানের সময়) কঠোরভাবে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- ক্যালেন্ডারে ছুটি পুনর্বহাল করা হলেও, কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং সেবামূলক খাতগুলোতে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশনাও রয়েছে।
- ছুটির বিষয়ে যেকোনো চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন বা সরকারি সিদ্ধান্তই কার্যকর বলে গণ্য হবে।


