ডেক্স রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে হামলা করেছে। এতে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ এবং অন্তত ৯০টি শিশুসহ শতাধিক প্রাণহানী ঘটেছে। এই আগ্রাসনের প্রতিবাদে খোদ যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ হচ্ছে।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির বিভিন্ন শহরের রাস্তায় নেমে এসেছেন প্রতিবাদী নাগরিকরা। তারা ইরানের পতাকা ও যুদ্ধবিরোধী নানা স্লোগান সম্বলিত পতাকা, ব্যানার-ফেস্টু হাতে বিক্ষোভ করছেন। শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল একযোগে সামরিক হামলা শুরু করে এবং এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে পাল্টা হামলা চালায়। দুবাই, দোহা, বাহরাইন, কুয়েতের মতো অঞ্চলগুলোতে- যেখানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি আছে বা যারা যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র- সেখানে ইরানের পক্ষ থেকে হামলা চালানোর খবর পাওয়া গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে ফিলিস্তিনি যুব আন্দোলন, ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকা, কোড পিঙ্ক এবং দ্য পিপলস ফোরামসহ বেশ কিছু অধিকারকর্মী সংগঠনের একটি জোট বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করছে।
এছাড়া বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত, ইরাকসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে। এর মধ্যে পাকিস্তান ও ইরাকে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষ হয়েছে। এতে শুধু পাকিস্তানেই ৯জন নিহত হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্বেগ: যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত দখলদার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলাদেশ সময় সোমবার দিবাগত রাত ২টায় একটি বিবৃতি দিয়েছে মোদি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে ফোনে কথা হয়েছে। তার সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তাকে আমি সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো নিয়ে ভারতের উদ্বেগের কথা জানিয়েছি এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকেই সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেছি। ভারত আবারও স্পষ্ট করে বলছে যে, এই সংঘাত এখনই বন্ধ হওয়া উচিত।’


